সংবাদ শিরোনামঃ
নীলডুমুর ১৭ বিজিবি কতৃক আটককৃত ৩১ কোটি ৯৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩৫০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে  উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে  ১০ লক্ষ বীজ রোপণ উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান উপজেলা বিএনপির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন হওয়ায় শ্যামনগরে আনন্দ মিছিল  সাতক্ষীরায় রোগীর খাবার খেয়ে সন্তুষ্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী বারসিক’র উদ্যোগে প্রাণী স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই বিষ দিয়ে মাছ শিকার, ২৯০ কেজি চিংড়ি বিক্রির অভিযোগ কয়রায় জমি দখল, চাঁদাবাজি ও মৎস্যঘের দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনীতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত, নওয়াবেঁকি মিতালী সংঘের ২-০ গোলের জয়
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বেড সংকটে ভোগান্তি শিশু রোগীরা অভিযোগ ও রোগের স্বজনদের

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু বেড সংকটে ভোগান্তি শিশু রোগীরা অভিযোগ ও রোগের স্বজনদের

শ্যামনগর প্রতিনিধি।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত বেড না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে অভিভাবকরা। হাসপাতালে মাত্র ৬টি শিশু বেড থাকায় প্রতিদিনই অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা হচ্ছেন বারান্দা ও সিঁড়িতে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের সিঁড়ি ও বারান্দায় শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে বেশ কয়েকজন শিশু রোগী। তাদের পাশে বসে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা।
এ বিষয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া শিশুর অভিভাবক মনজুরা খাতুন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই হাসপাতালে রবিবার দুপুরে আমার ভাতিজা কে চিকিৎসা করাতে আসলে দেখা যায় বেড না থাকার কারণে রুগিকে রাখতে হয়েছে হাসপাতালের সিঁড়িতে, তিনি আরো বলেন শিশুদের যদি এভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাহলে কতটুকু সুস্থতা বয়ে নিয়ে আসবে প্রশ্ন রয়ে যায়।
চিকিৎসকরা জানান, শিশুদের জন্য নির্ধারিত বেড সংখ্যা খুবই সীমিত। প্রতিদিন ২৫-৩০ জন পর্যন্ত শিশু রোগী ভর্তি হয়। বাধ্য হয়ে তাদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে বারান্দা ও সিঁড়িতে।
 শিশু রোগীরা হাসপাতালের বারান্দা ও সিঁড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছে এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানএর কাছে জানতে তিনি বলেন প্রতিদিন যেভাবে রোগের চাপ বেড়ে যাচ্ছে আমাদের স্বল্প পরিসরে বেড হওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে, চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতলের তিন তলার সিঁড়ির যে ছাঁদ করা আছে ওই ছাদের উপরে বেড করে দিয়ে রোগীর সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি দাবি করে বলেন আমাদের নতুন ভবনটি যদি ছেড়ে দিত কর্তৃপক্ষ তাহলে আমাদের এই হিমশিম খেতে হতো না। তিনি আরো বলেন শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ শিশু বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার সেভাবে নাই একজন শুধুমাত্র মেডিকেল অফিসার দিয়ে আমি সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা দ্রুত শিশু ওয়ার্ডে বেড সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি আলাদা ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *